প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে কোটা বাতিলে রুল

 



সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে নারীদের জন্য ৬০ ভাগ ও ২০ ভাগ পোষ্য কোটা বাতিল করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আজ সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

এর আগে গত ১৮ মার্চ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে নারীদের জন্য ৬০ ভাগ ও ২০ ভাগ পোষ্য কোটা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। তারেক রহমান নামে এক প্রার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া এ রিট দায়ের করেন।

সেদিন আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভুঁইয়া বলেছিলেন, ২০১৮ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬০ ভাগ ও ২০ ভাগ পোষ্য কোটা রেখে একটি পরিপত্র জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর। সে পরিপত্রটি চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।

২০২০ সালের ১৮ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে। কিন্তু ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক কোটা প্রথা বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর গত ২০১৯ সালের ৪ এপ্রিল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা আর পুরুষ প্রার্থীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তারা তাদের নিজেদের স্বার্থে উক্ত প্রজ্ঞাপনের ৮ম অনুচ্ছেদে বিষয়টি উল্লেখ করে। যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই কোটা বাতিল সংক্রান্ত পরিপত্র এবং সংবিধানের ২৭, ২৯ ও ৩১ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

[*তথ্যসূত্র: Dhaka Tribune; দৈনিক কালের কণ্ঠ; ১৩-১২-২০২১]

Comments

Popular posts from this blog

নতুন বেতন স্কেল পাবেন সরকারি কর্মচারিরা

সরকারিকৃত প্রদর্শক, সহঃগ্রন্হাগারিকদের বেতনগ্রেড বৈষম্য ও অবনমন

সরকারিকৃত প্রভাষকদের বেতনগ্রেড অবনমন!